মুক্তদেশ ডেস্ক: ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ’ বলে মন্তব্য করেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা গণভোটের বিষয়টি ইতোমধ্যে সংসদে উঠিয়েছি এবং স্পিকার এটা আমলে নিয়েছেন, এটা নিয়ে আলোচনা হবে। এ ব্যাপারে আমরা কমিটেড।
আমরা জনগণের কাছে যখন গিয়েছি, তখন গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ভোট চেয়েছি। জনগণ দুটি ভোটই দিয়েছেন। একটি হালাল হলে আরেকটি হারাম হবে কেন? একটি হারাম হলে আরেকটি হালাল হয় কীভাবে? এটা সরকারি দল যত তাড়াতাড়ি বুঝবে, তত তাড়াতাড়ি সংকট কাটবে।’
তিনি বলেন, ‘তারাও (সরকারি দল) গণভোটের কথা বলেছে, জাতির সঙ্গে কথা দিয়েছেন, তারাও গণভোটকে সমর্থন করেছে, এখন যদি এটার বিরোধিতা করে, খুবই দুঃখজনক। আমরা চাই, জনতার সর্বোচ্চ রায়কে যেন সবাই সম্মান করে। এটা হলে ভালো, না হলে ৭০ ভাগ বিশাল জনগোষ্ঠী যে আকাঙ্খা পোষণ করেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এই দাবি আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।’
শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে মনিপুর গার্লস স্কুল মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথাব বলেন।
জামায়াত আমির সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নেয়ামত। জুলাই পরিবর্তনের পর এবার দ্বিতীয় ঈদুল ফিতর। আমরা যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা আছে। শহীদ, আহত, পঙ্গু ও জুলাইযোদ্ধাসহ দেশের সমস্ত মুক্তিকামী মানুষের কাছে এই দায়বদ্ধতা।’
তিনি বলেন, ‘ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। ঈদ এলে শহর-নগরের জনগণ নাড়ীর টানে বাড়ির দিকে ছুটতে থাকে। সেই যাত্রায় অতীতেও নানা সমস্যা ছিল, এবার সমস্যা হয়েছে আরো বেশি মাত্রায়। এর জন্য আমরা খুব লজ্জিত ও ব্যথিত। পরিবর্তিত বাংলাদেশে এটা হওয়ার কথা ছিল না। ভাড়া নিয়ে যে কেলেঙ্কারি হয়েছে, সরকারের মন্ত্রী এসব বিভাগের সংশ্লিষ্টরা যেসব কথা একেক সময় বলেছেন, আমরা জাতি হিসেবে লজ্জিত, জানি না তারা অনুতপ্ত কি না।’
