মুক্তদেশ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
গতকাল বুধবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনগুলো এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে
বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকে জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি প্যাট্রল বোট দেওয়ার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে। সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি সুবিধাজনক সময়ে দেশটি সফরের আশা প্রকাশ করেন।
জাপানি প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন- ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যুরোর পরিচালক হিরোসে আইকো, জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।
বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
