বিনোদন ডেস্ক: আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন প্রেশার কুকার’র নায়িকা স্নিগ্ধা চৌধুরী। তিনি জানান, বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে শারীরিক নির্যাতন করেছেন আশিয়ান গ্রুপ ও আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
সঙ্গে এও জানান, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামে অন্য এক মডেল ভেবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আর তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। নিজের নাম জড়িয়ে পড়ায় এবার মুখ খুলেছেন মডেল জেবা।
তার ভাষ্য, একবার তাকে গুলশান-২ এলাকার একটি অফিসে ডাকা হয়েছিল। সেখানে হাসপাতালের একটি টিভিসিতে কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে অফিসে যাওয়ার পর বিজ্ঞাপনের কাজের বদলে তাকে মডেলিং ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বলা হয়েছিল, তার সব ধরনের খরচ ওই (মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া) ব্যক্তি বহন করবেন।
জেবা জানান, তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে ওই ব্যক্তি একাধিকবার ফোন করলেও তিনি নম্বর ব্লক করে দেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
স্নিগ্ধা চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে জেবা বলেন, বর্তমানে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এমনকি স্নিগ্ধার সাবেক প্রেমিককেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। শুধু শুনেছেন, তাদের বিচ্ছেদ ভালোভাবে হয়নি। তাই নিজের নাম কেন বিভিন্ন মারামারি বা বিতর্কে টেনে আনা হচ্ছে, সেটি বুঝতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া নিজের সঙ্গে স্নিগ্ধার চেহারার মিল খোঁজার বিষয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন জেবা। আর হাসপাতাল গিয়ে দেখা করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্নিগ্ধা সেখানে গিয়ে থাকতে পারেন, কিন্তু আমি নিজে কখনও ওই হাসপাতালে যাইনি।’
এক অডিও বক্তব্যে আসিফ ও সাকিব সনেট নামের দুজনের প্রসঙ্গও তোলেন জেবা। তার ভাষ্য, আসিফের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল বড় ভাই-বোনের মতো। অন্যদিকে সাকিব সনেটও তাকে ভদ্র, মার্জিত ও নিয়ন্ত্রিত আচরণের মানুষ হিসেবে প্রশংসা করতেন।
জেবার ধারণা, এসব প্রশংসার কারণেই স্নিগ্ধার মনে তার প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়ে থাকতে পারে।
