প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সন্ত্রাসবাদীদের চোখরাঙানি সহ্য করবে না ভারত। পাকিস্তানকে যদি বাঁচতে হয় ওদের সন্ত্রাসের পরিকাঠামো নির্মূল করতে হবে। ‘টেরর’ ও ‘টক’ একসঙ্গে চলতে পারে না। জল এবং রক্ত একই সঙ্গে বইতে পারে না।
সোমবার রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রথম ভাষণে নরেন্দ্র মোদি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এবার পাকিস্তানের সঙ্গে কথা হলে সন্ত্রাসবাদ নিয়েই কথা হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে কথা হলে এ বার পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই কথা হবে।
২২ মিনিটের ভাষণে পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেন, যেমনটি তার এবং অতীতে অন্যান্য ভারতীয় সরকার করেছে যে কাশ্মীর সমস্যাকে একক সমস্যা হিসেবে দেখা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘স্টেট স্পনসর্ড টেররিজ়ম’-এর বড় উদাহরণ পহেলগাঁও কাণ্ড। প্রত্যেকটি যুদ্ধের ময়দানে আমরা পাকিস্তানকে পর্যদুস্ত করেছি। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এও আমরা সেই শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছি। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ হাতিয়ার তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।
মোদি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী সর্বদা সতর্ক। আকাশ, পানি থেকে মাটি- সর্বত্র আমরা প্রস্তুত থেকেছি। ‘নতুন নর্মাল’ তৈরি করেছে সেনা। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হগলে আবার জবাব দেওয়া হবে। কোনও ‘নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেল’ ভারত সহ্য করবে না।
হামলায় বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের স্কুল-কলেজ, সাধারণ নাগরিকের বাড়িঘর, মন্দিরকে নিশানা করল পাকিস্তান। এখানেও ওরা ব্যর্থ হল। দুনিয়া দেখল কী ভাবে পাকিস্তানের ড্রোন, মিশাইল ভারতের কাছে ধুলিসাৎ হল। আকাশেই নষ্ট করে দেওয়া হল। তিন দিনে পাকিস্তানকে যা করা হয়েছে, যা ওরা ভাবতেই পারেনি। এখন ওরা বাঁচার রাস্তা খুঁজছে। দেশে দেশে ঘুরছে। খারাপ ভাবে হেরে যাওয়ার পরে ১০ মে পাকিস্তানি সেনা আমাদের ডিজিএমও-র দ্বারস্থ হন। তার আগে আমরা পাকিস্তানের মাটিতে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছি।
সূত্র: আনন্দবাজার