মুক্তদেশ ডেস্ক: ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী, যারা আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত, তাদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র দুপুরের দিকে সানার আকাশ চিরে ছুটে যায়। ক্ষেপণাস্ত্রটির পেছনে ধোঁয়ার রেখা দেখা যায়।
এর লক্ষ্য কোথায়, তা স্পষ্ট নয়। এটি সৌদি আরবের কোনো স্থাপনা কিংবা দক্ষিণ ও পূর্ব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো এলাকাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়ে থাকতে পারে। উত্তর ইয়েমেনের বাসিন্দাদের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দৃশ্য এখন পরিচিত হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার এডেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ আল-মাশিকের কাছে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হন। হামলার সময় ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী শায়া আল-জিন্দানি প্রাসাদে উপস্থিত ছিলেন। তবে তিনি অক্ষত রয়েছেন।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, হামলায় একটি সামরিক কার্যক্রম পরিচালনাকেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। এডেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি-সমর্থিত যোদ্ধা ও সামরিক সরঞ্জামের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
হুতিদের ঘন ঘন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম ইয়েমেনের তাইজ শহরের আশপাশে তাদের ভূখণ্ডগত অগ্রগতি সরকারি বাহিনীর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। সরকারি বাহিনীর রসদ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সড়ক, বন্দর ও বিমানবন্দরও হুমকির মুখে পড়েছে।
এই বিঘ্ন সরকারি বাহিনীর ‘ডন অব ইয়েমেন’ বা ‘ইয়েমেনের ভোর’ সামরিক অভিযানকে দুর্বল করে দিতে পারে। হুতিদের দখলে থাকা ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করাই এ অভিযানের লক্ষ্য। এসব এলাকার মধ্যে রাজধানী সানাও রয়েছে, যা ২০১৪ সালে যুদ্ধের শুরুতে হুতিরা দখল করে নেয়।
তবে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সরবরাহসংকটের কারণে সামরিক অভিযান থেমে থাকবে না। তাঁদের দাবি, রসদ ও পরিবহনসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সক্ষমতা সরকারি বাহিনীর রয়েছে।
ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে সরকারি বাহিনীর সমর্থক যৌথ বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল ওয়াদাহ আল-দুবাইশ আলজাজিরাকে বলেন, “হুতি গোষ্ঠী ধারাবাহিকভাবে সরকারি বাহিনীর সরবরাহপথ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা সরবরাহ বন্ধ করতে পারেনি। হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
তবে গত কয়েক মাসে হুতিদের কাছে সরকারি বাহিনীর বেশ কিছু পরাজয় তাদের অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে লোহিত সাগর উপকূল ধরে দ্রুত দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে হুতিরা মোখা বন্দর দখল করে। পশ্চিম তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর সমর্থকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকেন্দ্র।
সরকারি বাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ লোহিত সাগর উপকূলের হারানো কিছু এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে। তবে মোখা বন্দর এখনও হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আল-দুবাইশ বলেন, হুতিদের হামলা ও স্থলভাগে অগ্রগতির কারণে সরকারি বাহিনীর কাছে রসদ পৌঁছাতে দেরি হতে পারে। কিছু যুদ্ধক্ষেত্রে সরবরাহের ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে।
তবে তিনি বলেন, “তারা সরবরাহের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবে না। আকাশপথ, স্থলপথ ও সমুদ্রপথ এখনও ব্যবহারযোগ্য রয়েছে। ফলে যুদ্ধের সম্মুখসারিতে রসদ পৌঁছানো অব্যাহত রাখা সম্ভব।”
কিন্তু তাইজ শহরের পরিস্থিতি দেখিয়ে দিচ্ছে, বিকল্প সরবরাহপথ ব্যবহারেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হুতিরা শহরটির সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের কেন্দ্র এডেনকে সংযুক্তকারী প্রধান সড়কটি বিচ্ছিন্ন করেছে। আশপাশের পাহাড়ি এলাকার বিকল্প পথগুলোও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে তাইজ।
এরই মধ্যে পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। হুতিদের সর্বশেষ অগ্রগতির পর তাইজে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে এবং দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে পেট্রলের দাম তিন গুণে পৌঁছেছে।
গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথ হারানোর ফলে সরকারি বাহিনীর সেনাদের কাছে গোলাবারুদ, অতিরিক্ত সেনা ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই তাদের হুতিদের অব্যাহত ও তীব্র হামলা মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
তবে আল-দুবাইশের বক্তব্য, যুদ্ধে অগ্রগতি ও পশ্চাদপসরণ—দুটিই ঘটে। একটি যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার অর্থ পুরো সংঘাতে হেরে যাওয়া নয়।
তিনি বলেন, “যুদ্ধ এখনও চলছে। হুতিদের পরাজিত না করা পর্যন্ত এটি থামবে না।”
‘রসদ সরবরাহে নমনীয়তা’
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বর্তমানে একাধিক রণাঙ্গনে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ লোহিত সাগর উপকূল, তাইজ শহরের আশপাশ এবং সানার পূর্বে অবস্থিত মারিব ও আল-জাওফ অঞ্চল।
ইয়েমেনের উপপ্রধান বিচারমন্ত্রী ফয়সাল আল-মাজিদি আলজাজিরাকে বলেন, সারা দেশে সরবরাহপথ সচল রাখতে সরকারি বাহিনী ‘রসদ সরবরাহে নমনীয়তা ও বিকেন্দ্রীকরণ’ নীতির ওপর নির্ভর করছে।
আল-মাজিদি বলেন, “এই পদ্ধতিতে সরবরাহপথকে কয়েকটি প্রায় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে কাছাকাছি প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শাবওয়া, মারিব, তাইজের হুতিমুক্ত এলাকা, লোহিত সাগর উপকূল এবং দক্ষিণের প্রদেশগুলো।”
তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রসদ পরিবহনের জটিলতা কমাতে সহায়তা করে।
তিনি আরও বলেন, “প্রধান সড়কগুলোর ওপর নজর রাখা যায়—এমন উঁচু এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে সরকারি বাহিনী লড়াই করছে। এর উদ্দেশ্য হলো, গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথগুলোকে গোলাবর্ষণ থেকে সুরক্ষিত রাখা।”
সরকারপন্থী বাহিনীর অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে তাইজ প্রদেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা আল-ওয়াজিয়া। এ অঞ্চল থেকে লোহিত সাগর উপকূলের ওপর নজর রাখা যায়। একই সঙ্গে পশ্চিম দিক থেকে তাইজ শহরের অবরোধ ভাঙার অভিযান পরিচালনার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হতে পারে।
আল-ওয়াজিয়ায় হুতিদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই অব্যাহত রয়েছে।
সৌদি আরবের ভূমিকা
‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযান শুরুর পর থেকে ইয়েমেনের সরকার ও তার মিত্র বাহিনীর প্রতি সমর্থন বাড়িয়েছে সৌদি আরব। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম সৌদি আরব ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলার কথা স্বীকার করেছে।
২০১৫ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সরকারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশটির সংঘাতে প্রথম হস্তক্ষেপ করেছিল সৌদি আরব।
আল-দুবাইশ বলেন, সৌদি সামরিক ভূমিকা ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য সহায়তার উৎস।
তিনি বলেন, “সংঘাতে সৌদি আরবের সমর্থন একটি নির্ধারক বিষয়। সৌদি আরব ছাড়া হুতিদের মোকাবিলা করা ইয়েমেন সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হতো। হুতিদের হাতে ইরানের সরবরাহ করা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো উন্নত সামরিক সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি তাদের বিপুলসংখ্যক যোদ্ধাও রয়েছে।”
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, অক্টোবরের শুরু থেকে বিমান হামলায় শত শত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে।
আল-মাজিদি সৌদি আরবের বিমান সহায়তাকে ‘কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি’ এবং ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন, “সৌদি আরবের ভূমিকার মূল লক্ষ্য হলো স্থলবাহিনীকে সরাসরি বিমান সহায়তা দেওয়া। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, হুতিদের অতিরিক্ত সেনা ও রসদ পৌঁছানো ঠেকানো এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণকেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা। এর ফলে তাদের হামলার ধ্বংসাত্মক প্রভাব কমানো সম্ভব হয়।”
যুদ্ধের শুরুর দিকে তাইজ শহর অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারপন্থী যোদ্ধাদের জন্য আকাশপথে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেছিল। তবে চলতি মাসে নতুন করে অবরোধ শুরু হওয়ার পর এ ধরনের কোনো অভিযানের খবর পাওয়া যায়নি।
সমন্বয়ই হবে সাফল্যের আসল পরীক্ষা
সৌদি আরবের ভূমিকা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে অপরিহার্য হতে পারে। তা হলো—হুতিবিরোধী পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ করা। কারণ, এই পক্ষের মধ্যে এখনও বিভক্তি রয়েছে এবং সামরিক কমান্ড কাঠামোও পুরোপুরি সমন্বিত নয়।
আল-দুবাইশ বলেন, সামরিক ইউনিটগুলোর মধ্যে দুর্বল সমন্বয় এখনও বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, “বিভিন্ন সামরিক ইউনিট আলাদা আলাদা কমান্ড কাঠামোর অধীনে কাজ করায় সমন্বয়ের সমস্যা তৈরি হয়েছে। হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা বাহিনীগুলোর জন্য এই বিভক্তি মোটেও সহায়ক নয়।”
সেপ্টেম্বরে লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পেছনে হুতিবিরোধী বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিও আংশিকভাবে দায়ী ছিল। হুতিদের দ্রুত অগ্রযাত্রার জবাব দিতে এসব বাহিনী যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে মনে করা হয়।
অথচ বছরের শুরু থেকেই ইয়েমেন সরকার দাবি করে আসছিল, হুতিবিরোধী বাহিনীগুলো একটি ঐক্যবদ্ধ কমান্ড কাঠামোর অধীনে কাজ করছে। বছরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের বাহিনী পরাজিত হওয়ার পর এ দাবি করা হয়েছিল।
আল-মাজিদি বলেন, “বিভিন্ন এলাকার সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ই ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের সাফল্যের প্রকৃত পরীক্ষা।”
সামরিক বিষয়ক ইয়েমেনি গবেষক আদনান আল-জাবারনি আলজাজিরাকে বলেন, সরকারি বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাত্রা বাড়ছে।
তিনি বলেন, “এই বাহিনীগুলো বর্তমানে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় পরীক্ষা করছে। ইয়েমেন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রত্যাহার এবং সুপ্রিম মিলিটারি কমিটি (এসএমসি) গঠনের পরই তারা একটি ঐক্যবদ্ধ কাঠামোর অধীনে কাজ শুরু করেছে। এই কমিটিতে বিভিন্ন শাখা ও ইউনিটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
জানুয়ারিতে ইয়েমেনের জাতিসংঘ-স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল-আলিমি সুপ্রিম মিলিটারি কমিটি গঠন করেন। এর লক্ষ্য ছিল, হুতিবিরোধী সব সামরিক ইউনিটের কার্যক্রম তদারক করা এবং সেগুলোকে একটি একক কমান্ডের অধীনে ইয়েমেনের আনুষ্ঠানিক সামরিক কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করা।
তবে কমিটি গঠনের পরও বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভক্তি দূর হয়নি। তাদের কমান্ড কাঠামো ও অর্থায়নের উৎস ঐতিহাসিকভাবেই আলাদা। লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক পরাজয় যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যক্রম সমন্বয়ের চলমান সমস্যাগুলো আরও স্পষ্ট করেছে।
তাইজের জন্য এই সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরটিকে হুতিদের দখল থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি সরবরাহপথ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য সড়কগুলো পুনরুদ্ধার করাও জরুরি।
আল-জাবারনির মতে, সরকারপন্থী বাহিনীগুলোর মধ্যে বিরোধ কমছে এবং হুতিদের হামলা সত্ত্বেও সরকারি বাহিনীর সরবরাহপথ সচল রয়েছে।
তিনি বলেন, “বেসামরিক স্থাপনা ও সরবরাহপথ—বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে হুতিরা সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে আমার ধারণা, এসব হামলা হুতিবিরোধী সামরিক অভিযানকে ধীর করার পরিবর্তে আরও জোরদার করতে পারে।”
সূত্র: আলজাজিরা |
