খেলা ডেস্ক: বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগের দিন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বলেছিলেন, ‘আমি এই আসরের সেরা খেলোয়াড় হতে আসিনি। আমি এসেছি ব্রাজিলকে আবার শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে।’
মাঠে নেমে নিজের কথারই প্রমাণ দিলেন এই প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড। নিউ জার্সি–নিউইয়র্ক স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়া ব্রাজিলকে দুর্দান্ত এক গোলে সমতায় ফেরান তিনি।
ম্যাচের বড় একটি সময়জুড়ে ব্রাজিল ছিল মরক্কোর চেয়ে পিছিয়ে। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছিল। ঠিক সেই সময়েই জ্বলে ওঠেন ভিনিসিয়ুস।
ব্রুনো গিমারায়েসের পাস থেকে পেনাল্টি এলাকার বাঁ পাশে বল পান তিনি। এরপর ভেতরের দিকে কেটে ডান পায়ে নেওয়া তার দুর্দান্ত শট সোজা জালের ছাদে গিয়ে লাগে।
বিশ্বকাপ মঞ্চের উপযোগী সেই অসাধারণ গোল শুধু ব্রাজিলকে ম্যাচে ফিরিয়েই আনেনি, বরং দলকে বড় বিপর্যয় থেকেও রক্ষা করেছে। এই গোল না হলে ১৯৩৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হারতে হতো ব্রাজিলকে।
তবে সমতায় ফেরার পরও জয়ের গোল আর খুঁজে পায়নি তারা। ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়।
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারার বিবিসি স্পোর্টকে বলেন, ‘ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ছিল বেশ অগোছালো।’
দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল বিশ্লেষক টিম ভিকারিও একই সুরে মন্তব্য করেন, ‘আদর্শ পরিস্থিতিতে দলই তারকাদের তৈরি করে। কিন্তু এখানে দেখা গেল, তারকাই দলকে বাঁচিয়ে দিল।’
ভিনিসিয়ুসের অনবদ্য মুহূর্তে হার এড়ালেও ব্রাজিলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স যে এখনও প্রত্যাশার অনেক নিচে, এই ম্যাচ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।
