মুক্তদেশ ডেস্ক: পাওয়ার প্লের ১০ ওভার শেষ হয়ে গেছে। মোস্তাফিজুর রহমান আর তাসকিন আহমেদ মিলে অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী করেছেন শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দর্শকদের। শূন্য রানে রেকর্ড ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে এখন স্কোরকার্ডটা একটু ভদ্রস্থ— ১০ ওভারে ৩৭ রানে তাদের ৪ উইকেট নেই।এবার অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ উইকেটও তুলল বাংলাদেশ। শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর জস ইংলিশ আর অ্যালেক্স ক্যারির ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ১৭ বলে ১৩ রান করে মোস্তাফিজের বলে নাজমুলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ক্যারি।
এখন উইকেটে এসেছেন গ্রিন। আগের ম্যাচে ফিফটি পেয়েছিলেন তিনি। চাপের মুখে তাঁকেই বাঁচাতে হবে বাংলাদেশকে। ওভারে অস্ট্রেলিয়ার রান এখন ৩ উইকেটে ১৭। যেকোনো দলের ক্ষেত্রেই হতে পারে এমন। কিন্তু এই তিন উইকেট কিন্তু তারা হারিয়ে ফেলেছিল শূন্য রানেই।
এক হাজারের বেশি ওয়ানডে খেলে কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। এমনকি আগে সবচেয়ে কম রানে যখন তারা ৩ উইকেট হারিয়েছিল, তখনও তাদের রান ছিল ৫। এবার বাংলাদেশ যা করল, তা তাই এক কথায় অবিশ্বাস্যই।
এমন অভিজ্ঞতা অবশ্য বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময়ও একবার হয়েছিল— ২০০৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। বাকি দুটি ঘটনা পাকিস্তানেমাত্র তৃতীয়বার!
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে খেলেছে ১০২৪টি। এর আগে কেবল দুবারই দলটির দুই ওপেনারই আউট হয়েছিলেন ডাক মেরে। প্রথমটি ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, পরেরটি ২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। আজ ম্যাথু শর্ট ও কনোলিকে শূন্য রানে ফিরিয়ে তৃতীয় ঘটনাটি ঘটাল বাংলাদেশ।অবিশ্বাস্য!
বাংলাদেশ ভালো খেলছে ঠিক, আগের ম্যাচটা জিতেছেও। কিন্তু তাই বলে এমন দৃশ্য!
অস্ট্রেলিয়া কি না কোনো রান করার আগেই হারিয়ে ফেলেছে ৩ উইকেট। এমন কিছু হয়তো সুদূর কল্পনাতেও আসেনি বাংলাদেশের সমর্থকদের। এখন সেটাই ঘটছে। শর্টকে বোল্ড করে শুরুটা করেছিলেন তাসকিনই।
মোস্তাফিজের পরের ওভারের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান কনোলিও। এবার ম্যাট রেন শও ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে। আম্পায়ার শুরুতে আউট দেননি। কিন্তু বাংলাদেশ রিভিউ নিতেই ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা ধরেন রেন শ। শূন্য রানে ৩ উইকেট!
তৃতীয় ওভারে এসে তাসকিনের নো বলে প্রথম রানটা পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের আপাতত বেশ করুণ অবস্থাই!
