মুক্তদেশ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এক বন্দুকধারী গুলি ছুড়েছেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে বন্দুকধারীর গোলাগুলি চলে। এ ঘটনায় বন্দুকধারী ওই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের বরাতে সিক্রেট সার্ভিসের দেওয়া এক বিবৃতি অনুসারে এএফপি এ খবর জানিয়েছে। গুলির সময় একজন পথচারীও আহত হন। তবে তাঁর অবস্থা কেমন, তা জানা যায়নি।
হোয়াইট হাউসের কাছে নিরাপত্তাচৌকিতে ওই বন্দুকধারী গুলি ছোড়েন। বিবৃতিতে বলা হয়, সিক্রেট সার্ভিসের পুলিশ কর্মকর্তারা পাল্টা গুলি ছোড়েন। বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সিএনএনের খবরে জানানো হয়, পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ ও সেভেন্টিনথ স্ট্রিট নর্থওয়েস্টের মোড়ের কাছে এ ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, এক ব্যক্তি গুলি ছুড়ছেন—এমন খবর পায় সিক্রেট সার্ভিস। এরপর তাদের কর্মকর্তারা সেখানে গেলে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
হোয়াইট হাউসের কাছে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান সিএনএনের সাংবাদিকেরা। এরপরই সেখানে লকডাউন জারি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নেন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা।
এ ঘটনায় তদন্ত করার কথা জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস। ঘটনার সময় নর্থ লন এলাকায় থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সরিয়ে নেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ‘গুলি চলছে, নিচু হোন’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। তাঁরা হোয়াইট হাউসের ভেতরের সাংবাদিকদের যে যাঁর জায়গায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেন।
ঘটনার পরপরই রাইফেল হাতে সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা নর্থ লন এলাকায় অবস্থান নেন। তাঁরা হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুম আটকে দেন। পরে ইস্টার্ন টাইম (ইটি) সন্ধ্যা পৌনে সাতটার পরপরই লকডাউন তুলে নেয় কর্তৃপক্ষ।
