সৈকত চন্দ্র দে সুমন (৪৩)। থাকতেন রাজধানীর শনির আখড়া বাজারের রুপসী গার্মেন্টস গলিতে ভাড়া বাড়িতে। গেল বছর ২০ জুলাই শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে যান ফার্মেসিতে। একহাতে ছিল মোবাইল এবং অপর হাতে মায়ের প্রেসক্রিপশন আর ওষুধ। ঠিক ওই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলের ওপর চালানো একটি গুলি সুমনের বুকের পাঁজরে লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
সুমন শনির আখড়ায় থাকলেও তার বাড়ি চাঁদপুরে। তিনি জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদি উত্তর ইউনিয়নের উপাদি গ্রামে দুলাল মাস্টার বাড়ির ছেলে। তার বাবা স্বর্গীয় দুলাল চন্দ্র দে। তিনি পেশায় ছিলেন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মা স্বর্গীয় শিখা রানী দে।
সুমনরা ৩ ভাই, এক বোন। সুমন ছিলেন সবার বড়। মেঝো সুজন চন্দ্র দে (৩৫)। তিনি ঢাকায় অংলকার তৈরির কারখানায় কাজ করেন। ছোট ভাই চন্দন চন্দ্র দে (৩২)।
তিনি রাজধানীর আনন্দ হাউজিংয়ে এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত। বোন মৌসুমী রানী দে (৪০)। তার বিয়ে হয়েছে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়।
শহীদ সৈকত চন্দ্র দের ছোট ভাই চন্দন চন্দ্র দে বলেন, তিনি এবং তার ভাই সুমন পুলিশের অবসপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠান মতিঝিল আনন্দ হাউজিংয়ে চাকরি করেন। সুমন ২০১৬ সাল থেকে এই কোম্পানিতে হিসাব রক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাসস
