মুক্তদেশ ডেস্ক: স্পেনের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে ২৩তম বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। ৪৮ দলের আসরে শুধু ফুটবলের লড়াই নয়, ছিল রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কারও। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য মোট ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজমানি বরাদ্দ রেখেছিল ফিফা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩.১২ টাকা হিসেবে)।
সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের আগের তুলনায় ১৫ শতাংশ প্রাইজমানি বাড়িয়েছিল ফিফা। কোনো দল যেন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রাইজমানি বাড়িয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিউজার্সি স্টেডিয়ামে হওয়া ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে স্পেন। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে রদ্রির দল। অন্যদিকে রানার্সআপ আর্জেন্টিনাও পেয়েছে মোটা অঙ্কের অর্থ।
চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবচেয়ে বেশি ৫ কোটি মার্কিন ডলার পাচ্ছে স্পেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা। ফাইনালে হেরে রানার্সআপ হওয়া লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থান অর্জন করা ইংল্যান্ডের প্রাইজমানি ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। আর চতুর্থ হওয়া ফ্রান্সের জন্য বরাদ্দ ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা প্রায় ৩৩২ কোটি টাকার সমান।
নকআউট পর্বে খেলেও শিরোপার লড়াইয়ে এগোতে না পারা দলগুলোর জন্যও রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া চারটি দল প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ২৩৩ কোটি টাকা)। শেষ ষোলোতে বাদ পড়া আটটি দলের প্রত্যেকের প্রাপ্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা)।
অন্যদিকে, শেষ ৩২ দলের রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার করে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা। আর গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া প্রতিটি দলের জন্য রাখা হয়েছে ৯০ লাখ ডলার বা প্রায় ১১০ কোটি টাকা।
এ ছাড়া প্রাইজমানির বাইরে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই প্রস্তুতি, ভ্রমণ, আবাসন ও অন্যান্য খরচ বাবদ ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার করে দিয়েছে ফিফা। ফলে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ওঠা কোনো দলই আর্থিক দিক থেকে খালি হাতে ফিরছে না।
