মুক্তদেশ ডেস্ক: বৈরী আবহাওয়া ও নদী উত্তাল থাকায় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের সব ধরনের নৌ যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
রোববার (৫ জুলাই) সকাল থেকে হাতিয়া-চেয়ারম্যানঘাট–নলচিরা রুটে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়ার উদ্দেশে শত শত যাত্রীকে নলচিরা ঘাটে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল নদীর কারণে ঘাট থেকে কোনো সি-ট্রাক, ফেরি কিংবা যাত্রীবাহী ট্রলার ছেড়ে যেতে পারেনি।
ফেরি মহানন্দার মাস্টার তোফাজ্জল হোসেন জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। এ অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
হাতিয়া উপকূলীয় নদী বন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট–নলচিরা ঘাট রুটে চলাচলকারী সব ধরনের সরকারি নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
গতকাল শনিবার রাতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামের একটি সংগঠন এই জিডি করেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হবে।
অভিযোগকারী রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য মিল্লাত হোসেনের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে শাহবাগের হাদী চত্বরে অবস্থানকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্য ও ভিডিও তাদের নজরে আসে। পরে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।
লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টকশোতে জুলাই আন্দোলন, আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী এবং শহীদ ও আহতদের নিয়ে আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর ও কটূক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। পাশাপাশি আন্দোলনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, অপপ্রচার চালানো এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগকারী এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।
