স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের অন্যতম ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারাল পর্তুগাল।প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। পরে আরো দুটি গোল করে ইতহিাস গড়েন রোনালদোর দল।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ডময় জোড়া গোল আর নুনো মেন্দেসের ফ্রি কিকে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে পর্তুগাল। মঙ্গলবার হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে পর্তুগালের আগ্রাসী ফুটবলের সামনে ফাবিও কানাভারোর উজবেকিস্তান কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক হলো না রোনালদোর, বিরতির আগেই হ্যাটট্রিক পেয়ে যেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে অল্পের জন্য গোলটি পাওয়া হলো না তার। উজবেকিস্তানের গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে রোনালদো বলটা পাঠিয়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রায় কাছাকাছি জায়গা থেকে বলটি ক্লিয়ার করেন আবদুকদির খুসানভ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছক বেছে নেওয়া পর্তুগাল মাত্র সপ্তম মিনিটে প্রথম সাফল্যের দেখা পায়। ডানপ্রান্ত থেকে জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো নিখুঁত ক্রস দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। এই এক গোলেই ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েন তিনি।
এরপর ১৭ মিনিটে ফ্রি-কিকের এক চতুর কৌশলে রোনালদোকে ডামি হিসেবে দাঁড় করিয়ে সরাসরি জোরালো শটে ব্যবধান ২-০ করেন পিএসজির ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেস। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের ২৯ মিনিটে গানিভের এক শটে উজবেকিস্তান ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত স্বস্তি মেলেনি তাদের। ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্যে কানসেলোর ওপর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। ডি-বক্সে চমৎকার এক রান নিয়ে করা এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজের মোট গোলসংখ্যা ১০ নিয়ে যান তিনি। এর ফলে কিংবদন্তি ইউসেবিওর ৬০ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন রোনালদো। প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানের বড় লিড নিয়ে বিরতিতে যাওয়া পর্তুগাল এখন পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার অপেক্ষায়।
