ডেস্ক রিপোর্ট: পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসীম উদ্দিন।
উপপুলিশ কমিশনার বলেন, ‘গত বুধবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে কোতোয়ালি থানাধীন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৩ নম্বর গেটে এবং সংলগ্ন এলাকায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। অনেক লোক একত্র হয়ে একজন লোককে বিভিন্নভাবে আঘাত করে হত্যা করে। এই ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠাই।’
গত বুধবার বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের (৩৯) শরীর ও মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়।
এর দুই দিন পর গতকাল শুক্রবার হত্যাকাণ্ডটির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সেখানে তীব্র ক্ষোভ দেখা যায়।
হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ঘটনার নেপথ্য নিয়ে অনেক রকম কথাবার্তা আমরা মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছি। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ওই এলাকায় ভাঙারি ব্যবসা খুব প্রচলিত। সেখানে একটি ভাঙারি দোকান ছিল। সেই দোকানে কারা ব্যবসা করবে, এ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল।
