ডেস্ক রিপোর্ট: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান (সিডিবিএল) তপন চৌধুরী বলেছেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে অনেকে সর্বস্বান্ত হয়েছেন, এটা কারও কাম্য নয়। গতকাল বুধবার ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)
আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী, অর্থ) ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, আইসিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, সিডিবিএল চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী ও এফআইসিসিআই সভাপতি জাভেদ আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
তপন চৌধুরী বলেন, অনেক বিনিয়োগকারী কোম্পানির ব্যালেন্সশিট বুঝতে পারেন না। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব আছে। এ সময় তিনি বলেন, টাকা না লাগলে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে চাইবে না।
তপন চৌধুরী বলেন, শেয়ারবাজারে আসার সময় যারা আমাদের স্কয়ার ফার্মার শেয়ার কিনেছিলেন, তাদেরকে স্যামসন এইচ চৌধুরী স্কয়ার টেক্সটাইলের শেয়ার বিনামূল্যে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকার বাধা দেয়। এরপর স্যামসন চৌধুরী উচ্চ আদালতে মামলা করে সেই শেয়ার বিতরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি বাস্তবায়নে তাড়াহুড়োর সুযোগ নেই সংস্কারকে অবশ্যই সময় দিতে হবে, নইলে অনিশ্চয়তা চলে আসবে।
আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারে গতি ফেরাতে বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিকল্প নাই। আইসিবিকে বছরে ৯৬০ কোটি টাকার সুদ দিতে হয়। এটা এখন চলে না। এ জন্য তিনি আর্থিক সহযোগিতা চান।
বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে সংস্কারে কাজ চলছে। আমরা সংস্কারের মাধ্যমে ফুটপ্রিন্ট রেখে যেতে চাই। এরই মধ্যে আমরা মিউচুয়াল ফান্ড, আইপিও এবং মার্জিন রুলস প্রণয়নের কাজ করছি। আইন প্রণয়নের কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সংস্কার হয়ে যাবে।
