এভিয়েট ইন্টারন্যাশনাল লি. এর প্রোপাইটর নুরুল আমিনের অবৈধ সম্পদের মামলায় ৮ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে একটি ধারায় জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসামির পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আর তথ্য গোপনের অভিযোগে অপর ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত ৯৩ লাখ ২২ হাজার ১৭ টাকার সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
রায় ঘোষণার আগে নুরুল আমিন আদালতে হাজির হন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলা থেকে জানা যায়, দুদক নুরুল আমিনকে ২০০৯ সালের ২৯ জুলাই সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠায়। নুরুল আমিন ২০১০ সালের ২২ আগস্ট সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করে। তিনি হিসাব বিবরণীতে মোট ৭ কোটি ৫৩ লাখ ৮৬ হাজার ১২৭ টাকার সম্পদ দাখিল করা হয়। যার মধ্যে ৬ কোটি ৭৬ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ টাকার স্থাবর এবং ৭৭ লাখ ৭১ হাজার ৩০০ টাকার অস্থাবর সম্পদ।
পরে দুদক পর্যালোচনা করে দেখতে পায়, নুরুল আমিন দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৯২ লাখ ৮১ হাজার ১৭ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ রয়েছে।
সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১১ সালের ৭ আগস্ট রমনা মডেল থানায় মামলা করে দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক আবদুল আজিজ ভূঁইয়া মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করে ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দখল করেন আবদুল আজিজ। ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
