মুক্তদেশ ডেস্ক: গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেতরে এক পাশে শিকলে বাঁধা বড় হাতিদের ভারী উপস্থিতি। কুসুম মালা, মুক্তি রানী, আমির বাহাদুর, রাজা বাহাদুর, নিহারকলি, বেলকলি, পূজা রানী, সম্রাট বাহাদুর ও রাজ বাহাদুর—প্রত্যেকেরই পায়ে পরিচিতিতে বন্দিদশার চিহ্ন। অথচ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে তিন বছর বয়সী ছোট্ট হাতি জয়িতা, যার পায়ে নেই কোনো শিকল। নেই টানাটানির দাগ, নেই ভয়ভীতির ছায়াও।
মা বেলকলির পাশে জয়িতা কখনো শান্তভাবে দাঁড়ায়, কখনো নিজের ইচ্ছেমতো পার্কের খোলা জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। এই স্বতঃস্ফূর্ত চলাফেরাই এখন তার প্রতিদিনের জীবন।
গত বছরের মে মাস থেকে গাজীপুর সাফারি পার্কে সনাতন হাদানি পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে একটি ভিন্নধর্মী হাতি প্রশিক্ষণ পদ্ধতি—‘পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট ট্রেনিং’। বন বিভাগের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার পরীক্ষামূলক সূচনা হয়েছে জয়িতাকে দিয়েই।
